CKAGOJ
ঢাকা শনিবার , ১৮ মে ২০২৪
  1. সর্বশেষ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজনীতি

আওয়ামীলীগ সকালে আমেরিকানদের গালি দেয়, বিকেলে ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির হয় : আমীর খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ অগাস্ট ২০২৩, ৯:৪২ পিএম

Link Copied!

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আওয়ামীলীগের অফিসে গেছেন।আওয়ামীলীগের নেতারা রাষ্ট্রদূতকে ফুলের তোড়া নিয়ে, ৩২ টি দাঁত দেখিয়ে, কি খুশি। একটি দেশের রাষ্ট্রদূত গেছে, এভাবে ফুলের তোড়া দিয়ে, হাসি খুশি, মনে হয় জীবনে আর দেখেনি। বিএনপি অফিসে কত রাষ্ট্রদূত গেছে কোনোদিন দেখছেন ফুলের তোড়া নিয়ে দাঁড়াতে। আওয়ামীলীগ সকালে আমেরিকানদের গালি দেয়, বিকেলে ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির হয়। আবার যখন তার পরের দিন তারা বুঝে যায়, আমেরিকানরা তাদের গণতন্ত্র বিরোধী, মানবতা বিরোধী, ভোট চুরির বিরোধী। আবার তারা তাদের গালি দেয়।

তিনি আজ শুক্রবার (৪ আগষ্ট) বিকালে কাজীর দেউরী নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের
রহমান শামীম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

আমীর খসরু বলেন, বিএনপি নাকি বিদেশিদের দেশের অভ্যন্তরীন ব্যাপারে নাক গলাতে দেয়। আপনারা ফুলের তোরা নিয়ে ওখানে কি গলাতে গিয়েছিলেন ? আবার বের হয়ে এসে সুখবর দিচ্ছে রাষ্ট্রদূত এটা বলেনি, ওটা বলেনি। কি আনন্দ! তাহলে কে নাক গলালো? ফুলের তোড়া নিয়ে নাক গলাতে হয়? এই হচ্ছে আপনাদের দূরাবস্থা।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানকে কিছু করতে পারেননি, তাই জোবাইদা রহমানের পেছনে লেগেছেন। এখন কি অপেক্ষায় শুধু জাইমা রহমান? এবার জাইমা রহমানকে নিয়ে সরকার কি উঠে পড়ে লাগবে? বাংলাদেশের মানুষ তাদের অনুপস্থিতে আপনার বিদায়ের ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, এই সরকার জনগণের কাছে পরাজিত হয়ে বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা করছে। এই সমস্ত যারা অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অংশকে সাথে নিয়ে জনগণের লড়াইকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে। আগামী দিনগুলোতে আপনাদের জন্য কঠিন সময় আসছে। বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। আপনাকে যেতে হবে। আপনি থাকতে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারী একটি অংশকে ব্যবহার করে থাকতে পারবেন না। ঢাকায় ২৮ জুলাই ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষ সমাবেশ করে একটি বার্তা দিয়েছে শেখ হাসিনা বিদায় হও।

তিনি বলেন, প্রথমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে মনে করেছিলেন ক্ষমতায় অব্যহতভাবে আবার থাকবেন। তারপর তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে মনে করেছিলেন আপনাদের কাজ হয়ে গেছে। তারপরও আপনাদের সন্দেহ কাটছে না। আপনাদের ভয় কাটছে না। আপনাদের ভেতরে কম্পন শুরু হয়ে গেছে। খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়েছেন, তারেক রহমাকে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। এখন ভয় পাচ্ছেন জোবাইদা রহমান যদি বাংলাদেশে আসে আপনাদের কি অবস্থা হবে। তারেক রহমান জনগণকে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার পতনের যে ডাক দিয়েছে সেটাই যথার্থ।

তিনি বলেন, ওই আওয়ামী সন্ত্রাসী ও আওয়ামী পুলিশ বাহিনীর একটি অংশ, সরকারি একটি অংশ এবং কিছু বিচারককে নিয়ে টিকে থাকার যে চেষ্টা করছেন তা আর হবে না। আপনার সাথে বাংলাদেশের কেউ নেই। জনগণ নেই। বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনার সাথে নেই। বিশ্বের বিবেক আপনার সাথে নেই। যারা লুটপাট ও হালুয়ারুটির ভাগ নিয়েছেন তারা কিছুটা লাফালাফি করছেন। হালুয়া রুটি যারা খেয়েছে তারা আরও খাওয়ার জন্য লাফালাফি করছে। এদের সংখ্যা বাংলাদেশের মানুষের এক শতাংশও হবে না। এই এক শতাংশ নিয়ে আপনি ৯৯ শতাংশ জনগণের বিরুদ্ধে টিকে থাকবেন। কীভাবে আপনি ভাবছেন এই কথাটি?

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া, জোবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান এদের পথ রুখে দাঁড়াবার কোনো শক্তি বাংলাদেশে কারও নেই। বিচারবিভাগের নেই, আওয়ামী লীগের নেই। আপনারা এসব রায় দিয়ে আওয়ামী লীগের যদি কিছু একটাও যদি থেকে থাকে সেটাও ধ্বংস করে দিয়েছেন। এরা যে রাজনৈতিক দল নয়, এরা যে জনগণের ওপর নির্ভরশীল নয় , এরা জনগণের ওপর বিশ্বাস করে না। এরা নির্ভরশীল বিচার বিভাগের ওপর, আইনশৃঙ্খলার কিছু লোকের ওপর আর কিছু লুটেরা ব্যবসায়ীর ওপর।

আমীর খসরু বলেন, আপনারা কিভাবে যাবেন ঠিক করেন। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে যাবেন নাকি জনগণ আপনাদের বিতাড়িত করবে। আমরা কাউকে বিতাড়িত করার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা। আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে বিশ্বাস করি। শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের ভোটের নির্বাচিত সংসদ ও নির্বাচন। এই কাজটাতে বিএনপি বিশ্বাস করে। এই কাজটা যদি আপনি করেন তাহলে খুব ভালো। আর যদি না করে গত নির্বাচনের মতো রাতের আঁধারে ভোট চুরি করে আবার ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করেন এবার কিন্ত প্রতিবাদ নয় প্রতিরোধ করবো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এস এম ফজলুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ ভোট চুরির নির্বাচনে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে ওঠে পড়ে লাগে। তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমান বিদেশে অবস্থান করলেও তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। যা সরকারের প্রতিহিংসা চরিতার্থের নামান্তর। নির্দোষ জিয়া পরিবার আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মামলায় অবিশ্বাস্য দ্রুততার সঙ্গে সাক্ষী নিয়ে রায় প্রদানের জন্য দিন ধার্য করা হয়। দেশে লাখ লাখ মামলার জট থাকলেও তাদের এই মামলায় ১৬ দিনে ৪২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। রাত ৯টা পর্যন্ত একতরফাভাবে সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। দুদক এখন শুধু সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান নয়, বিরোধীদল দমন কমিশনে পরিণত হয়েছে। সব ক্ষেত্রে বিচারের নামে প্রহসন চলছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে একটি মামলায় রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি মোতাহার হোসেন, তিনি দেশে থাকতে পারেন নাই। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা দেশে থাকতে পারেন নাই। সরকার তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে মনে করেছে জিয়া পরিবারের আর কেউ নেই। কিন্তু তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমান হচ্ছেন বাংলাদেশের মানুষের নয়নের মনি। জিয়া পরিবারের সর্বশেষ সদস্যও যদি বেঁচে থাকে তাহলে তিনিই হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। জাইমা রহমান আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী। জিয়া পরিবারের সবাইকে সাজা দিয়ে নেতাকর্মীদের হামলা মামলা দিয়ে এই সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। যতই ধানাই পানাই করেন না কেন যেতেই হবে। বাংলাদেশের মানুষ প্রস্তুত হয়েছে। এই ফরমায়েশি রায়কে আমরা মানি না। রাজপথে আছি, আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজাবো, ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, তারেক রহমান তার পিতা শহীদ জিয়ার অনুকরণ করে সারাদেশে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তাই শেখ হাসিনার সরকার তারেক রহমানকে আগামী দিনের প্রধান প্রতিপক্ষ ভেবে রাজনীতি থেকে তাকে মাইনাস করার গভীর ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, তারেক রহমান সরকারের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের শিকার। তাকে বিপর্যস্ত ও বিপন্ন করার জন্য সরকার কূটচাল চালিয়েছে। তথাকথিত আইনি প্রক্রিয়ার নামে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা পূরণ করেছে। এক ব্যক্তির প্রতিহিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটছে জিয়া পরিবারের ওপর।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানকে সাজা দিয়ে বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ব্লু প্রিন্ট বাস্তবায়ন করেছে সরকার। যে অভিযোগগুলো তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে সেগুলো বানোয়াট ও বানানো গল্প। এই সাজা গভীর ষড়যন্ত্রমূলক।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সি, যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এড. আবদুস সাত্তার, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, চট্টগাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, নুরুল আমিন, নূর মোহাম্মদ, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ইঞ্জি, বেলায়েত হোসেন, সরওয়ার আলমগীর, কাজী সালাউদ্দিন, আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, জয়নাল আবেদীন জিয়া, হারুন জামান, মাহবুব আলম, এস এম আবুল ফয়েজ, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মো. কামরুল ইসলাম, উত্তর জেলার সদস্য জসীম উদ্দীন সিকদার, কর্নেল আজিমুল্লাহ বাহার, অধ্যাপক কুতুবউদ্দিন বাহার, অধ্যাপক জসীমউদ্দীন চৌধুরী, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, এডভোকেট আবু তাহের, দক্ষিণ জেলার সদস্য অ্যাড. ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, মোশারফ হোসেন, এম মঞ্জুর উদ্দিন চৌধুরী, এস এম মামুন মিয়া, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মজিবুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, মোস্তাফিজুর রহমান, খোরশেদ আলম, মফজল আহমদ চৌধুরী, জামাল হোসেন, হুমায়ন কবির আনসার, আমিনুর রহমান চৌধুরী, মো: ইসহাক চৌধুরী, হামিদুল হক মান্নান, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল্লাহ বাহার, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মো, শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর, মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মঞ্জুর আলম তালুকদার, মহানগর কৃষকদলের আহবায়ক মো. আলমগীর, ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, তাঁতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, শ্রমিকদলেব তাহের আহম্মেদ, জাসাসের আহবায়ক মুছা বাবলু প্রমূখ।

 

আরও পড়ুন
মে দিবসে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের আখের রস বিতরণ

মে দিবসে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের আখের রস বিতরণ

উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণাই ব্যস্ত বিএনপির নেতা

উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণাই ব্যস্ত বিএনপির নেতা

বাঁশখালীর প্রবীণ শিক্ষক আব্দুল মালেকের চির বিদায়ে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ

বাঁশখালীর প্রবীণ শিক্ষক আব্দুল মালেকের চির বিদায়ে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ

রাখাইনের গৃহযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সীমান্তে প্রভাব নিয়ে ঢাকায় আন্তর্জাতিক সংলাপ

রাখাইনের গৃহযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সীমান্তে প্রভাব নিয়ে ঢাকায় আন্তর্জাতিক সংলাপ

রবিবার দুবাই থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে এমভি আবদুল্লাহ

রবিবার দুবাই থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে এমভি আবদুল্লাহ

ক্ষমতায় যেতে বিদেশি প্রভুদের দাসত্ব করে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

ক্ষমতায় যেতে বিদেশি প্রভুদের দাসত্ব করে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

বিয়ের সেই পোশাক ছিঁড়ে ফেললেন সামান্থা

বিয়ের সেই পোশাক ছিঁড়ে ফেললেন সামান্থা

তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে

তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে

ট্রাকচাপায় ৩ ভ্যানযাত্রী নিহত

ট্রাকচাপায় ৩ ভ্যানযাত্রী নিহত

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে ইসরায়েল : হামাস

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে ইসরায়েল : হামাস

জাপানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নের পথপ্রদর্শক : মেয়র রেজাউল

জাপানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নের পথপ্রদর্শক : মেয়র রেজাউল

আত্মমর্যাদাশীল জাতি গড়তে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বিকল্প নেই : জেলা প্রশাসক

আত্মমর্যাদাশীল জাতি গড়তে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বিকল্প নেই : জেলা প্রশাসক